Supreme Court on Crackers
রাষ্ট্র শহর ও শহরতলি সূচনা

অযোধ্যার বিতর্কিত জমি মামলা, তৈরি হচ্ছে মন্দির, শীর্ষ আদালতের যে ইঙ্গিতে স্পষ্ট

সত্যিই কি দের শতকের বিবাদের অবসান কালে আমরা এসে উপস্থিত? এক কথায় এই মুহূর্তে শুধুমাত্র এই একটি প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর খুজতে ব্যস্ত আপামর ভারতবাসী। অযোধ্যা মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে দিল সুপ্রিম কোর্টের। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বিচারপতি বেঞ্চ চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করার আগে আধঘন্টা সব পক্ষের সাওয়াল ও দাবি শুনে নেয়। এরপর প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ রায় দানের সময় বলেন,

“মোট ২.৭৭ একর বিতর্কিত জমি রয়েছে অযোধ্যায়। বর্তমানে সরকারের হাতে চলে যাবে এই সম্পূর্ণ জমির মালিকানা। এরপর কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের হাতে সময় থাকবে তিন মাস, তার মধ্যে একটি ট্রাস্ট গঠন করে জমির সম্পূর্ণ মালিকানা তুলে দিতে হবে তাদের হাতে। পাশাপাশি এই বিতর্কিত জমির কিছুটা দূরে সরকারকে চিহ্নিত করতে হবে ৫ একর জমি। যেখানে গড়ে উঠবে মসজিদ”।

অতএব এককথায় এটি স্পষ্ট যে বিতর্কিত অবস্থায় থাকা ২.৭৭ একর জমিতে নির্মাণ হবে মন্দির। আর তার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে শীর্ষ আদালতের এই রায়। যেমন এই রায়ে বলা হয়েছে, সরকারের হাতে থাকার পরবর্তীতে যে ট্রাস্ট গঠিত হবে সেই ট্রাস্ট পরিচালনার দায়িত্বের সিংহভাগ শতাংশ যাবে প্রভাবশালী হিন্দু গোষ্ঠীগুলোর হাতে। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ,

“নির্মোহী আখড়া কে ওই ট্রাস্টের সদস্য পদে রাখতে হবে”।

পাশাপাশি চূড়ান্ত রায় দানের সময় গুরুত্ব পেয়েছে রাম জন্মভূমি ন্যাস কমিটির ভূমিকা। নির্মোহী আখড়া ও সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড দুই পক্ষের তরফ থেকেই অতীতে অযোধ্যার বিতর্কিত এই জমির মালিকানা দাবি করে বহুবার শীর্ষ আদালতে মামলা করা হয়েছে। কিন্তু আজ রায় ঘোষণার আগে দুই পক্ষের সমস্ত দাবি খারিজ করে দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। চূড়ান্ত রায়ে বলা হয়,

“আপাতত সরকারের হাতেই থাকবে এই বিতর্কিত জমির মালিকানা, পাশাপাশি এই বিতর্কিত জমির কিছুটা দূরে সরকার যে জায়গা চিহ্নিত করবে সেখানে তৈরি হবে মসজিদ”।

সাথে এদিন পুরাতত্ত্ব বিভাগ এ বিষয়ে যে সাক্ষ্য ও প্রমাণ দিয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি। পুরাতত্ত্ব বিভাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন,

“এটা ঠিক যে খালি জমির উপর অযোধ্যা-য় মসজিদ নির্মাণ করা হয়নি, তার আগে একটি কাঠামো ছিল সেখানে। কিন্তু সেখানে কি কোন মন্দির ছিল? এই প্রশ্নের কোন চূড়ান্ত উত্তর দিতে পারেনি পুরাতত্ত্ব বিভাগ। পাশাপাশি এটাও বলতে হবে, জমির মালিকানা দাবি করে যে যুক্তি দিয়েছিল সন্নি ওয়াকফ বোর্ড তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বাবর ওখানে মসজিদ বানিয়ে ছিলেন কিনা এই প্রশ্নের কোন উত্তর সঠিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি”।

লাইক করুণ আমাদের ফেসবুক পেজ Nabadin.com 

ফলো করুণ আমাদের টুইটারে Nabadin24News

সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Nabadin News

সাম্প্রতিক শিরোনাম:

অনুসরণঃ

#National #Supreme Court

পাঠকের প্রতিক্রিয়া একান্ত কাম্য । নিচে কমেন্ট বক্সে জানান আপনার মতামত