featured post রাষ্ট্র সূচনা

ফের মায়ের হাতে কন্যা সন্তান খুন, কারন জানলে শিউরে উঠবেন আপনিও

কলকাতার পর এবার দিল্লি। ফের মায়ের হাতে কন্যা সন্তান সন্তান খুন। যদিও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানাগেছে এই ঘটনার কারন সম্পুর্ন আলাদা, আর তা বিস্তারিত প্রকাশ পাওয়ার পরেই চোখ কপালে উঠেছে সকলের।
সূত্রের খবর, এদিন সন্ধেবেলা হঠাৎই সাত মাসের এক কন্যা সন্তানকে নিয়ে হাসপাতালে উপস্থিত হন তার মা। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের তিনি জানান, “তার মেয়ে বাথরুমে একটি জল ভর্তি বালতিতে ডুবে গিয়েছিল”। যদিও চিকিৎসকরা ওই শিশু সন্তানকে মৃত বলে ঘোষনা করে। কিন্তু শিশুটির গলায় একটি দাগ স্পস্ট বুঝতে পেরে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। এরপর মৃত শিশুর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিল্লির এইমস্ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আর সেই ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই স্পস্ট হয়, “জলে ডুবে নয়, খুন করা হয়েছে সাত মাসের ওই কন্যাসন্তানকে”। রিপোর্টের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। তখনই মৃত শিশুর মায়ের কথায় অসঙ্গতি লক্ষ্য করা গেলে পুলিশ গ্রেফতার করে ওই মহিলাকে। পুলিশি জেরার মুখে কার্যত ভেঙে পরে ঘটনার আসল কারন জানায় মৃত সন্তানের মা। আর তা শুনেই হতচকিত সকলে।
সূত্রমারফৎ খবর, জেরার মুখে অভিযুক্ত মহিলা পুলিশকে জানায়, “বছর দেড়েক হয়েছে তিনি বিবাহিতা। আর সাত মাস আগে তিনি ওই কন্যা সন্তানের জন্ম দেন”। “কিন্তু কন্যা সন্তান জন্ম নেওয়ার পর থেকেই নাকি পরিবারে বিভিন্ন অঘটন ঘটে চলছিল। আর্থিক অনটনে বেসালাম হয়ে পরেছিল সংসার”। পুলিশের কাছে মহিলার দাবী, “এই অনাচার সহ্য করতে না পেরেই তিনি খুন করেছেন নিজের মেয়েকে”। “ঘটনার দিন দুপুরে যখন শিশুটি ঘুমোচ্ছিল তখনই গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে খুন করি। এরপর বাথরুমে নিয়ে গিয়ে বালতির জলে দেহ চুবিয়ে দিই”। “প্রমান করার উদ্দেশ্য ছিল মেয়ে জলে ডুবে মারা গেছে”। “পরবর্তীতে কন্যা সন্তানকে মৃত বুঝতে পারার পরেই সবাইকে খবর দিই এবং হাসপাতালে নিয়ে যাই”। পুলিশের কাছে এমনই ঘটনার কথা স্বীকার করেছে অভিযুক্ত মহিলা। যদিও ঘটনার পিছনে অন্য কোন কারন আছে কিনা, জানতে তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ”।(Delhi mother killed her own child)